দিদার,নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
সোমবার (২২ এপ্রিল ২০২৪ ইংরেজি ) “দৈনিক কালের প্রতিচ্ছবি” পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক হাসান আল মামুন, তাঁর স্ত্রী রত্না হাসান,মেয়ে জান্নাত সহ খাগড়াছড়ি একটি অনুষ্ঠান থেকে ফেরার পথে রসুলপুর (০৯) নং ওয়ার্ড, মাটিরাঙ্গা পৌরসভা, থানা-মাটিরাঙ্গা, এ’স্থানে সন্ধা প্রায় (০৭) টার দিকে তাঁর বাড়ীর কাছাকাছি এলে প্রতিমধ্যে রাস্তায় গাছ ফেলে (১৪-১৫) জনের একদল সন্ত্রাসী তাঁহার গাড়ী আটকিয়ে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র সজ্জিত হয়ে সাবেক জাতীয় ‘দৈনিক সরেজমিন বার্তা’র ব্যবস্থাপনা সম্পাদক ও বর্তমানে ‘দৈনিক কালের প্রতিচ্ছবি’র সম্পাদক ও প্রকাশক জনাব হাসান আল মামুন ও তাঁর স্ত্রী, মেয়ে সহ পরিবারের ওপর এলোপাথাড়ি হামলা চালায়, এবং হত্যার উদ্দেশ্যে তাঁদেরকে গাড়ী থেকে টেনেহিঁচড়ে নামিয়ে ধারালো অস্ত্র, রড,পাইপ, লাঠিসোটা ও আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে মেরে তাঁর স্ত্রী ও মেয়েকে মারাত্মক ভাবে আহত করেন, এতে তিনি হাসান আল মামুন-ও মারাত্মকভাবে আহত হন। হামলায় হাসান আল মামুনের গাড়ীটির-ও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
একপর্যায়ে স্থানীয় পুলিশ এ’হামলার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছালে সন্ত্রাসী /দুর্বৃত্তরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। এমতাবস্থায় আহতদের উদ্ধার করে মাটিরাঙ্গা উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এবং হাসপাতালের রিপোর্ট অনুযায়ী আহত সম্পাদক হাসান আল মামুনের মাথায় এক ইঞ্চি পরিমান গভীর এবং আড়াই ইঞ্চি দীর্ঘ ক্ষত হয়েছে, ক্ষত থেকে অতিরিক্ত পরিমাণ রক্তক্ষরণ হয়েছে। এ’আঘাত ভারি কোনো লৌহ দন্ড দিয়ে আঘাত প্রাপ্ত হয়েছে বলে চিকিৎসক মেডিক্যাল রিপোর্টে বর্ণনা করেছেন।
এ’হামলায় যারা জড়িত ছিলেন তাঁরা হলেন-১। মোঃ রাজু, (২২), পিতা-মোঃ আব্দুল হামিদ,২। মোঃ শহর আলী (৪২), পিতা-আমান আলী, ৩। মোঃ নজরুল ইসলাম (৩০), পিতা-মৃত আরশাদ আলী, ৪। মোঃ ওসমান (২৪), পিতা- মৃত আরশাদ আলী, ৫। মোঃ সাফিক (২৬), পিতা-মোঃ শামছু মিয়া, ৬। মোঃ আমির হোসেন (৩২), পিতা-মৃত আঃ কাদের, ৭। মোঃ রফিক মিয়া (৩৫), পিতা-এমলাক মীর, ৮। মোঃ শাহিন (২২), পিতা-মোখলেছ মিয়া, ৯। মোঃ ফারুক (৩২), পিতা-মোঃ আবুল কাশেম, ১০। মোঃ মোরসালিন (২৩), পিতা-মোহাম্মদ আলী, সর্বসাং- রসুলপুর, ০৯নং ওয়ার্ড, মাটিরাঙ্গা পৌরসভা, থানা-মাটিরাঙ্গা, জেলা- খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলাগন। অজ্ঞাত নামা আরো ০৪/০৫ জন এ’হামলায় জড়িত ছিলো। এ’হামলায় জড়িত সকলের বিরুদ্ধে মাটিরাঙ্গা থানায় মামলা করা হয়েছে। এখনো পর্যন্ত অপরাধীরা কেউ ধরা না পড়লেও পুলিশ সকল অপরাধীদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রেখেছে।
ধারনা করা হচ্ছে সম্পাদক হাসান আল মামুন উক্ত এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের সাথে আপস করে না চলার কারণে এবং তাদের সন্ত্রাসী চাঁদাবাজি সহ বিভিন্ন অসামাজিক কার্যকলাপের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ায় সুযোগ বুঝে তাকে এবং তার পরিবারের ওপরে এ’হামলা চালায়।
এলাকার আরো অন্যান্য সাংবাদিকরা এসব সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে কোন কথা বলতে পারেন না,এবং কোন কিছু পত্র-পত্রিকায় লিখতে পারেন না। তাদের বিরুদ্ধে যারাই লেখালেখি করবে তাদেরকে এমন হামলার শিকার হতে হবে। তাই এলাকার প্রায় সকল সাংবাদিক তাদের বিরুদ্ধে কোন লেখালেখি না করে তাদের সহায়ক রিপোর্ট ও লেখালেখি করেন।
উল্লেখ্য- সম্পাদক হাসান আল মামুন ও তার পরিবারের উপর এমন জঘন্য হামলা করলেও স্থানীয় সাংবাদিকরা হামলার বিরুদ্ধে লেখালেখি করতে ভয় পাচ্ছেন। যদিও কেউ কেউ এ হামলার কথা বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় দিয়েছেন সেগুলিও উল্লেখিত সন্ত্রাসীদের সহায়ক। প্রথম শ্রেণীর কোন পত্র-পত্রিকায় এত বড় একটি হামলার ঘটনা সন্ত্রাসীদের ভয়ে অথবা কোন অদৃশ্য কারনে স্থানীয় সাংবাদিকগণ এ নিউজ করা থেকে বিরত রয়েছেন বলে জানা যায়।
আশ্চর্যের বিষয় হচ্ছে, একজন সাংবাদিক ও একটি পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক তাঁর পরিবারসহ এমন বর্বর হামলার শিকার হলেও স্থানীয় সাংবাদিকদের কোন প্রকার উল্লেখযোগ্য তৎপরতা দেখা যায়নি। এতে চট্টগ্রাম শহর থেকে এ-সংবাদ সংগ্রহের জন্য যাওয়া সাংবাদিক সংগঠনের নেতা ও সাংবাদিকগণ ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
তাঁরা বলছেন সাংবাদিক হয়ে-ও সাংবাদিকদের এমন নিরব আচরণ সত্যি খুব দুঃখের ও লজ্জার। সাংবাদিকরা যদি একে অপরের জন্য এগিয়ে না আসে তবে সাধারণ মানুষের জন্য কিভাবে এসব সাংবাদিকগন সত্য প্রকাশে এগিয়ে আসবে।!
WWW.DESHYNEWS24.COM/REGISTRATION NO-52472/2024
Leave a Reply